রাক্ষুসে ও অবাঞ্ছিত মাছের প্রবেশ (৪.৮.১)

দ্বিতীয় পত্র (দশম শ্রেণি) - শ্রিম্প কালচার এন্ড ব্রিডিং-২ - এসএসসি ভোকেশনাল | NCTB BOOK

398

পুকুর শুকানো অথবা বিষ প্রয়োগ করার পরও অনেক সময় পুকুর বা ঘেরে রাক্ষুসে ও অবাঞ্ছিত মাছ থেকে যেতে পারে। এছাড়াও বর্ষাকালে পানির সাথে বা অন্য যে কোনা সময় বাইরে থেকে শোল, টাকি, কৈ, শিং, মাগুর, চান্দা, তেলাপিয়া ইত্যাদি মাছ পুকুরে প্রবেশ করতে পারে। এতে ব্যাপকভাবে মাছ ও চিংড়ির উৎপাদন বিঘ্নিত হবে এবং খামার পরিচালনায় লোকসান হতে পারে।
প্রতিকার: পাখি, জাল, বৃষ্টির পানির স্রোত বা মানুষের মাধ্যমে রাক্ষুসে ও অবাঞ্ছিত মাছ প্রবেশ করে। তাই এ সমস্ত উৎস থেকে সতর্ক থাকতে হবে । নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উল্লিখিত সমস্যার প্রতিকার করা যেতে পারে।

  • পুকুরে বা ঘেরে বাইরের পানি ঢুকতে না দেয়া;
  •  জাল ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা, এবং
  •  প্রয়োজনে পুকুরের চারদিকে ৩০-৪০ সেমি উঁচু বানা বা মশারী জালের বেড়া বা বেস্টনী দেয়া।
Content added By
Promotion

Are you sure to start over?

Loading...